তরুণদের ই-সিগারেট ও নিকোটিনজাত পণ্যের আসক্তি থেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট উৎপাদক, আমদানিকারক ও বিপণনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬ ও পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, শুধু আইন প্রণয়ন বা সরকারের একক প্রচেষ্টায় তরুণদের মাদক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তরুণদের নিকোটিনজাত পণ্যের দিকে আকৃষ্ট করছে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তামাকের ক্ষতি থেকে কৃষকদের সুরক্ষা দিতে এবং বিকল্প ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত করতে পার্বত্য অঞ্চলে তামাক চাষিদের তুলা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে রোগ প্রতিরোধমূলক সেবার গুরুত্ব বাড়াতেও সরকার কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক আখতার-উজ-জামান। সভায় তামাকবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন, মিশন ও ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।