বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে ৭ অক্টোবর দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব বলছে, একই দিনে দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১২৩ বিলিয়ন ডলার।এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৩০৯ বিলিয়ন ডলার। সে সময় আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৪৫৩ বিলিয়ন ডলার।

অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবরের ব্যবধানে দেশের গ্রস রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ হিসাবে এই সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ কমেছে প্রায় ১৪২ মিলিয়ন ডলার।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা থাকলেও আমদানি ব্যয় ও বিভিন্ন বৈদেশিক পরিশোধের কারণে রিজার্ভে নিয়মিত ওঠানামা হচ্ছে। আমদানি ব্যয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায় মেটাতেও বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের শুরুতে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং বিভিন্ন পরিশোধের চাপ রিজার্ভের ওপর প্রভাব ফেলছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে শুধু রেমিট্যান্স নয়, রপ্তানি আয় বাড়ানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহ শক্তিশালী করাও গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক পরিশোধের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে।